ডাস্টবিন থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার
আমার কথা, ২৬ ফেব্রুয়ারি
রাকেশ লাহা, রানীগঞ্জ:
বুধবার গভীর রাতে শহর যখন নিস্তব্ধ ঠিক সেই সময় কিছু ব্যক্তির নজরে আসে রাস্তার পাশে ডাস্টবিনে একাধিক সাদাকালো এবং ডিজিটাল ভোটার কার্ড।
এই ভোটার কার্ড গুলি উদ্ধার হয় পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানীগঞ্জ বিধানসভার রানীগঞ্জের চিন কোটি ও চুড়ি পট্টি এলাকার মাঝামাঝি রাস্তার পাশের এক ডাস্টবিন থেকে।
সূত্রের খবর উদ্ধার হওয়া ভোটার কার্ডের সংখ্যা আনুমানিক ৪০ থেকে ৪২ এর কাছাকাছি।
যার মধ্যে কিছু সাম্প্রতিককালের ডিজিটাল ভোটার কার্ড এবং কিছু সাদাকালো ভোটার কার্ডও লক্ষ্য করা যায়।
আর এই ঘটনা শহরবাসীর প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় খনি শহর রানীগঞ্জ সহ পশ্চিম বর্ধমান জেলা জুড়ে।
একদিকে যখন নির্বাচনের দিনক্ষণের ঘোষণার অপেক্ষা অন্যদিকে ২৮ শে ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা, তারই মাঝামাঝিতে রানীগঞ্জে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের মধ্যেও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে ।
ঘটনা প্রসঙ্গে রানীগঞ্জ বোরো টু এর চেয়ারপার্সন মোজাম্মেল সাহাজাদা আনসারী জানান, এই ঘটনা খুবই চাঞ্চল্যের এবং উদ্বেগের। স্থানীয় মানুষজন বিষয়টি প্রথমে প্রত্যক্ষ করেন এবং রানীগঞ্জ থানা পুলিশকে জানাই পড়ে রানীগঞ্জ থানা ঘটনাস্থলে এসে কার্ড গুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
কিন্তু বর্তমানে এসআইআর এর সময় মানুষের গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে ভোটার কার্ডটাই প্রয়োজন, যেটুকু আমিও সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে কিছু পুরনো ভোটার কার্ডের পাশাপাশি নতুন ডিজিটাল কার্ডও উদ্ধার হয়েছে ঘটনাস্থলে ।
এখন আমারও প্রশ্ন যদি কার্ড গুলি ডিসপোজাল হয়ে থাকে তাহলে কেন এভাবে ফাঁকা রাস্তার পাশে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পুরোটাই এখন প্রশাসনের তদন্তের বিষয় , পুরো তদন্তের পর ঘটনার আসল সত্যতা উঠে আসবে। অন্যদিকে
স্থানীয় বাসিন্দারাও এদিন দাবি করেন যে প্রতিটি ভোটার কার্ড অরিজিনাল, যেখানে ইলেকশন কমিশনের স্টিকারও লাগানো। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখুক।। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি একাধিক প্রশ্ন হচ্ছে যেমন,
কোথা থেকে এলো এত ভোটার কার্ড ?কে বা কারা নিয়ে এলো ডাস্টবিনের কাছে ? এর উদ্দেশ্যেই বা কি রয়েছে? বর্তমানে পুরো ঘটনা তদন্তে রাণীগঞ্জের পুলিশ প্রশাসন।।



