আজকাল ট্রেনে যাতায়াত গরীব মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, তাই বাসই ভরসা: মলয় ঘটক
আমার কথা, ২৫ ফেব্রুয়ারী
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
বন্দে ভারতে গরীব মানুষ চাপতে পারেনা। এছাড়াও অন্যান্য ট্রেনেও হাজার হাজার টাকা ভাড়া। তাই মানুষের এখন ভরসা দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা। বাসের ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠান থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। দক্ষিণবঙ্গের গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার (এসবিএসটিসি) ২০টি নতুন সিএনজি বাসের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে আয়োজিত ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার প্রশাসনিক কর্তারা।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইন, বিচারবিভাগীয় ও শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। এছাড়াও ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত, দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল, মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউড়ি, সহকারী সভাধিপতি বিষ্ণুদেও নুনিয়া, ডেপুটি কমিশনার (পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা, নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম, প্রশাসকমণ্ডলীর ভাইস চেয়ারম্যান ধর্মেন্দ্র যাদব এবং সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান উত্তম মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। পরিবহণ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত রুটে এই ২০টি নতুন বাস চলাচল করবে। চারটি বাস ঝাড়গ্রাম–কলকাতা, ১টি বাস পটাশপুর–করুণাময়ী , ১টি বাস আসানসোল–ঝিলিমিলি, ১টি বাস বর্ধমান–ঝাড়গ্রাম, ১টি বাস বর্ধমান–বাঁকুড়া, ১টি বাস বর্ধমান–আসানসোল, ৪টি বাস বেলঘরিয়া (করুণাময়ী)–আসানসোল, ১টি বাস বেলঘরিয়া (করুণাময়ী)–বাঁকুড়া, ৫টি বাস বেলঘরিয়া–দীঘা এবং ১টি বাস বেলঘরিয়া–টাকি, মোট ১০টি রুটে ২০টি বাস পরিষেবা দেবে। মন্ত্রী মলয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বলেন,”সাধারণ মানুষের যাতায়াতকে আরও সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতেই রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে নতুন বাস পরিষেবা চালু করছে। হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে গরিব মানুষ ট্রেনে চাপতে পারেনা। বন্ধ ভারত ট্রেনেও সাধারণ মানুষ গরিব মানুষ চাপতে পারে না। কিন্তু রাজ্যের জনদরদী সরকার মানুষের কথা ভাবে। সেজন্যই প্রত্যেক রুটে বাড়ছে সিএনজি বাস।”



