পুকুর ভরাটের অভিযোগ, কাজ বন্ধ করতে মালিকদের নোটিশ ধরালো পঞ্চায়েত
আমার কথা, অন্ডাল, ১৮ এপ্রিলঃ
মজে যাওয়া পুকুরে ফেলা হচ্ছে মাটি, আবর্জনা। জমি প্লট করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিষয়টি জানতে পেরে ভরাট বন্ধ করতে মালিকপক্ষকে নোটিশ ধরালো পঞ্চায়েত। উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সারদা পল্লী এলাকার ঘটনা।
উখড়া গ্রামের সারদা পল্লী এলাকায় “মশনা” নামে (উখড়া মৌজা, দাগ নম্বর ১৩০ পরিমাণ ১,৪৭ একর) একটি জলাশয় ধীরে ধীরে ভরাট করা হচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে ওই জলাশয়টিতে রাতের অন্ধকারে ভ্যান ও ট্রলি গাড়িতে করে বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি ও আবর্জনা এনে ফেলা হচ্ছে। এইভাবে ইতিমধ্যে পুকুরটির প্রায় ৯০ শতাংশ বুজিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানান ওই পাড়ার বাসিন্দাদের একাংশ। অভিযোগ পেয়ে জলাশয় টি বাঁচাতে তৎপর হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত। উখরা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা সারদা পল্লী এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য শরণ সাইগল শুক্রবার জানান পুকুরটির বর্তমান মালিক মনোরঞ্জন মন্ডল, চম্পক কুমার ঘোষ ও সোনালী ঘোষ। মনোরঞ্জন মন্ডল ও চম্পক ঘোষ মারা যাওয়ায় বর্তমানে তাদের পরিবারের সদস্যরা পুকুরটির উত্তরাধিকারী। বৃহস্পতিবার পুকুরটির বর্তমান মালিকদের নোটিশ করা হয়েছে। আগামী সোমবার দুপুর ১২-টার জবাবদিহির জন্য তাদের পঞ্চায়েতে তলব করা হয়েছে। নোটিসের প্রতিলিপি দেওয়া হইছে অন্ডালের বিডিও ও বিএলআরও আধিকারিককে।
অন্যদিকে পুকুরটির বর্তমান মালিকদের একজন গৌতম মন্ডল পুকুর বোজানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। পাল্টা তিনি বলেন এলাকার বিভিন্ন ঘরবাড়ি থেকে পঞ্চায়েতের নিয়োগ করা স্বনির্ভর গোষ্ঠী যে নোংরা আবর্জনা সংগ্রহ করে রাতের অন্ধকারে আমাদের না জানিয়ে পুকুরে সেগুলি ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন উপযুক্ত তদন্তে প্রমাণিত হবে পুকুর ভরাট কারা করছে। রাজনৈতিক কারণে আমাদের বিরুদ্ধে পুকুর ভরাটের মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে বলে জানান গৌতম বাবু।



