সিটি সেন্টারে প্রাণায়াম ক্লাবের বরিষ্ঠ সদস্যাদের রাখী বন্ধন অনুষ্ঠান
আমার কথা, দুর্গাপুর, ৯ আগস্টঃ
আজ শুক্রবার ছিল শ্রাবনী পূর্ণিমা ও রাখী বন্ধন উৎসব।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ শাসক লর্ড কার্জনের প্রস্তাবিত বঙ্গভঙ্গ আইন রদ করার প্রতিবাদে এক আন্দোলন সংঘটিত করেন ও হিন্দু মুসলমানের সম্প্রীতি বজায় রাখতে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর রাখী বন্ধন উৎসবের ডাক দেন। অবশ্য রাখী বন্ধন আমাদের দেশের অতি প্রাচীন সৌভ্রাতৃত্ব বন্ধনের উৎসব। সিটি সেন্টারের নন্ রিক্রিয়েশন ক্লাবের প্রভাতী যোগ ও প্রাণায়াম ক্লাবের বরিষ্ঠ সদস্যারা রাখী বন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই অনুষ্ঠানে যোগ ও প্রাণায়াম এর প্রশিক্ষক প্রণয় রায়, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার এ জি এম, ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ তপন বাদ্যকর সহ অন্যান্য ক্লাব সদস্যদের মহিলারা রাখী পরান। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার প্রধান হাসপাতালের এজিএম ফিজিওথেরাপি ডাক্তার এদিনের তাৎপর্য সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন।
প্রাণায়াম ক্লাবের প্রশিক্ষক প্রণয় রায় বলেন রাখি উৎসব ভাই-বোনেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সুসম্পর্কের উৎসব।
ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই অনুষ্ঠানটি আয়েজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে একটি ফিজিওথেরাপি শিবিরের আয়োজন করা হয়।
এদিন বেনাচিতিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিবন্ধী সম্মিলনীর দুর্গাপুর শাখার মহিলা সদস্যারা বেনাচিতির পাঁচমাথার মোড়ে পথ চলতি মানুষদের রাখী পরান।
সংস্থার সম্পাদক গৌতম ঘোষ জানান প্রতিবছরই তাদের বিশেষভাবে সক্ষম ভাই বোনেরা এই রাখী উৎসবে বেনাচিতির পথ চলতি মানুষদের রাখি পরিয়ে সুভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করেন।
সমাজসেবী সুদীপ রায় বলেন এই সমাজের অবক্ষয় থেকে সবাইকে বাঁচাতে রাখী বন্ধনের গুরুত্ব অপরিসীম।
তপন বাদ্যকর বলেন সামাজিক সহায়তা প্রদান করে প্রতিবন্ধকতা দূর করা যায়।



