বসছে রূপকারের আবক্ষ মূর্তি, আবেদন ১ জুলাইকে ‘দুর্গাপুর দিবস’ হিসেবে পালনের
আমার কথা, দুর্গাপুর, ১ জুলাইঃ
বাংলার তথা দুর্গাপুরের রূপকার ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আজ জন্ম ও মৃত্যুদিন। সারা বাংলার পাশাপাশি দুর্গাপুরেও এদিন এই শহরের প্রান পুরুষকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করলেন আপামোর শহরবাসী।
১৮৫৫ সালে, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বর্ধমান এবং অন্ডালের মধ্যে রেলপথ স্থাপন করে।স্থানীয় জমিদার দুর্গাচরণের নামানুসারে এই স্টেশনের নামকরণ করা হয় দুর্গাপুর। কিন্তু ১৯৫০-এর দশকে, যুক্তরাজ্যের সহায়তায় দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার স্থাপনা হয় ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের হাত দিয়ে। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা ১৯৫৯ সালে উৎপাদন শুরু করে এবং এটি ভারতের প্রথম সমন্বিত ইস্পাত কারখানাগুলির মধ্যে একটি ছিল। এই কারখানাকে কেন্দ্র করে শহরটি যেন নবরূপে জন্ম নিলো আর যার কল্যাণে এটি সম্ভব হয়েছিলে তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়। এক এক করে বহু ভারী শিল্প দুর্গাপুরে গড়ে ওঠে। আজ অনেকগুলি কারখানা বন্ধ পড়ে আছে।ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের অত্যন্ত প্রিয় শহর দুর্গাপুর আজ সাজানো-গোছানো পরিকল্পিত এক শহর। এই রূপকারকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন একদিকে যেমন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের অবয়ব তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হল, তেমনি শহরবাসীদের একাংশ দাবিও তুললেন, এই দিনটিকে দুর্গাপুর দিবস নামে পালন করতে।
এদিন দুর্গাপুর নগর নিগমের সামনে শিলান্যাস হলো ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের আবক্ষ্য মূর্তি তৈরির। পুরপ্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় জানালেন,”দুর্গাপুর নগর নিগমের পাশে এই মূর্তির প্রতিষ্ঠার পর আমরা এবং আগামী প্রজন্ম ডাঃ বিধান চন্দ্র রায় কে দুর্গাপুর নগর নিগমের ঢোকার আগে অন্তত একবার প্রণাম করে ঢুকবেন আর সেটাই হবে তার প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা নিবেদন।”
অপরদিকে এদিন সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় অনেকেই আবেদন জানান, “১ জুলাই দুর্গাপুর দিবস হিসেবে পালিত হোক”।




