প্রতিশ্রুতির পাহাড়, কাজের খোঁজ নেই, প্রধানমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ সাংসদ কীর্তি আজাদের
আমার কথা, ১৭ জানুয়ারী,
সনাতন গরাই, দুর্গাপুর:
দেশের প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় সমালোচনায় সরব হলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ। দুর্গাপুর থেকে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১১–১২ বছর ধরে ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। কীর্তি আজাদের বক্তব্যে উঠে আসে অন্ডালের দুর্গাপুর বিমানবন্দর প্রসঙ্গ। তাঁর প্রশ্ন, প্রায় ৬০০০ একর জমি ও কার্গো হাব গড়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কেন এখনও বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ হচ্ছে না? কেন চালু হচ্ছে না আন্তর্জাতিক উড়ান? এই অবহেলার জবাব কেন্দ্রীয় সরকারকেই দিতে হবে বলে দাবি তাঁর।ধর্ম বনাম উন্নয়ন প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে কীর্তি আজাদ বলেন, “মন্দির বা মসজিদ তৈরি করলেই যদি বেকারদের চাকরি হতো, দারিদ্র্য দূর হতো তাহলে আমি নিজেই তা সমর্থন করতাম। কিন্তু ধর্মের নামে রাজনীতি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা চলতে পারে না।” কেন্দ্রের সমালোচনার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কাজের প্রশংসাও করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, উন্নত রাস্তাঘাট ও সামাজিক প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে কীর্তি আজাদ বলেন, রাজ্য সরকার শুধু ধর্মে আটকে না থেকে মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন এনেছে। সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ আসে চাকরি প্রসঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত “প্রতি বছর ২ কোটি চাকরি” প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কীর্তি আজাদের হিসাব,”গত ১১–১২ বছরে দেশে ২২ থেকে ২৪ কোটি চাকরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।
এই ব্যর্থতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দেশের মানুষের কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে বলেই স্পষ্ট দাবি তাঁর।”



