‘নির্মল বাংলা’ বৈঠকে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের তুলোধনা সচিবের
“মিশন নির্মল বাংলা” এই লক্ষ্যে বহু বছর ধরে কাজ করছে রাজ্য সরকার। নানা নির্মল বাংলা অভিযানে তাই প্রায় সময়ই নানা কর্মসূচ নিয়ে কাজ করতেও দেখা যায় প্রশাসনিক নানা স্তরে। তাঁর পরেও এই নির্মল বাংলা অভিযান নিয়ে অভিযোগ উথে আসে। এবার সেই সমস্যার সমাধানে দুর্গাপুরে একটি প্রশাসনিক বৈঠক অর্থাৎ ‘রিভিউ মিটিং’ হয়ে গেল শনিবার। পূর্ব বর্ধমান, পসচিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া এই তিনটি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিক যেমন বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ, মহকুমা শাসক, জেলাশাসক্রা ছিলেন এই বৈঠকে। বৈঠকের অগ্রভাগে ছিলেন, গ্রামোন্নয়ন ওপঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার ও উক্ত দপ্তরের সচিব পি উল্গানাথন।
এদিনের বৈঠক থেকে তিন জেলার অধিকাংশ পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিকে তুলোধোনা করেন সচিব বলেন, বাড়িতে বাড়িতে শৌচালয় বানানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। “মানুষজন এখনো কেন বাইরে শৌচকর্ম করছে? কারন বহু পঞ্চায়েত টাকা নিয়েও শৌচালয় বানাছে না। অনেক মহিলারা এখনও ফাঁকা জায়গায় শৌচকর্ম সাড়ছে। তিনি আরো বলেন, অনেক জায়গায় কমিউনিটি শৌচালয় করা হলেও সেগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে না শুধুমাত্র সচেতনতার অভাবে। এদিন তিনি বর্জ্যপ্রক্রিয়াকরণ নিষ্কাষণ কেন্দ্র হয়েও তা পরে রয়েছে, প্লাস্টিকের ব্যবহার বর্জন করে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারের জন্য প্রচার হচ্ছে না। নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে বলেই ‘নির্মল’ হচ্ছে না এলাকা। এক কথায় পঞ্চায়েত প্রধানদের ধুঁইয়ে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের সচিব পি উল্গানাথন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে বলেন,”আপনারা যে কথা বলছেন সেই কথা বাস্তবের সাথে মিল নেই। শুধু টেন্ডার করেন বিল্ডিং বানান কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না”
শেষে তিনি বলেন, ” পঞ্চায়েতকে নির্মল করতে হলে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে, বোঝাতে হবে। তবেই গড়ে উঠবে নির্মল পঞ্চায়েত”।



