“দিলীপ ঘোষ তো এখন হাফ বিজেপি হাফ তৃণমূল” কটাক্ষ সেলিমের
আমার কথা, দুর্গাপুর, ৪ জুলাইঃ
সম্প্রতি দলে দিলীপ ঘোষের অবস্থান নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে। সেই জল্পনাকে উস্কে দিয়ে কটাক্ষ করলেন সিপিআই(এম) এর রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। তিনি বলেন, শমীক ভট্টাচার্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়াতে অন্তত এটা প্রমাণিত যে উনি বিজেপিতেই আছেন। কিন্তু দিলীপ ঘোষ তো হাফ বিজেপি হাফ তৃণমূল হয়ে গেছেন। শুক্রবার দুর্গাপুরে এসে এমন মন্তব্য করলেন তিনি।
আগামী ৯ জুলাই সারা ভারত জুড়ে শ্রমিক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সমস্ত কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। সেই ধর্মঘটের সমর্থনে এদিন দুর্গাপুরে একটি মিছিল বের হয়। ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা এই মিছিলে অংশ নেন, যার অগ্রভাগে ছিলেন মহঃ সেলিম। মিছিলটি বেনাচিতির ভিরিঙ্গী মোড় থেকে পাঁচমাথার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে ধর্মঘতের সমর্থনে মহঃ সেলিম বলেন, “ধর্মঘট প্রসঙ্গে সেলিম বলেন,”শ্রমকোড বাতিল করতে হবে। শ্রমিকদের শোষণ করা চলবেনা। অধিকার দিতে হবে। আট ঘন্টার জন্য আমাদের লড়াই হয়েছিল কিন্তু এখন ১২ ঘন্টা বলা হচ্ছে। কৃষকদের ফসলের দাম বাড়াতে হবে। বেকার যুবক যুবতীদের কাজ দিতে হবে। এই দাবি নিয়েই আমাদের ধর্মঘট হবে।”
অন্যদিকে হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন হচ্ছে ততদিন রাজ্যের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ইউনিয়ন রুমগুলি বন্ধ থাকবে। কিন্তু আজ দুর্গাপুর গভর্মেন্ট কলেজের ইউনিয়ন রুম খোলা ছিল আর সেই প্রসঙ্গতে মহঃ সেলিম বলেন, “কোন কলেজে নির্বাচন হয় না। গুন্ডা বদমাশ, আর ধর্ষকদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়োগ করেছে। শুধু কসবা ল’ কলেজ নয় রাজ্যের সর্বত্রই থ্রেট কালচার চলছে। সেই জন্যই আদালত যেসব কলেজে নির্বাচন হয়নি সেগুলোতে তালা ঝোলানোর নির্দেশ দিয়েছে। সব কলেজের পঠন-পাঠন এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের রাজত্ব হচ্ছে বেআইনি কাজকর্ম চালানোর জন্য। ওরা তো আদালতের নির্দেশ মানে না।



