শ্রমিকদের ভোগান্তির দিন ঘুঁচলো, উদ্বোধন হলো ইএসআই ডিসপেন্সারি
আমার কথা, ৪ ফেব্রুয়ারী
রাকেশ লাহা, জামুরিয়া:
শিল্পাঞ্চল জামুড়িয়া, যেখানে রয়েছে প্রায় পঞ্চাশটিরও বেশি ছোট বড় কলকারখানা। নিত্যদিন বহু শ্রমিকের আনাগোনা। কিন্তু এই সব কারখানাগুলিতেই মাঝেমধ্যেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। কখনো কারখানার যন্ত্রাংশের নিচে চাপা পড়ে শ্রমিক মৃত্যু আবার কখনো আগুনে ঝলসে শ্রমিক মৃত্যু। এ ছাড়াও ছোটখাটো দুর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার।
আর এইসব দুর্ঘটনা ঘটলেই চিকিৎসার জন্য ছুটতে হয় আসানসোল বা দুর্গাপুরের কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রে, যার ফলে শ্রমিকরা ভোগান্তির শিকার হয়।
দীর্ঘদিনের এই সমস্যায় এবার ইতি পড়ায় খুশি শ্রমিক মহল।
বুধবার জামুরিয়া বিধানসভার অন্তর্গত ভূত বাংলায় রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং স্থানীয় বিধায়ক হরেরাম সিং এর হাত ধরে ই এস আই কার্ড ধারী শ্রমিকদের প্রাথমিক চিকিৎসার স্বার্থে ইএসআই ডিসপেন্সারির উদ্বোধন হলো। যেখানে মিলবে, প্রাথমিক চিকিৎসা, ইনজেকশন এবং সিক সার্টিফিকেটের মতন নানান সুবিধা।
যা স্বভাবতই শ্রমিকদের কাছে একটি খুশির খবর।
প্রসঙ্গে রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক নিজের বার্তায় জানান,
জামুরিয়া বিধানসভায় অনেকগুলো কল-কারখানা হয়েছে, যেখানে কাজ করে বহু শ্রমিক, যাদের অধিকাংশের কাছেই রয়েছে ই এস আই কার্ড। কারখানায় কোন দুর্ঘটনায় শ্রমীক আহত হলে তাদেরকে ছুটতে হয় আসানসোল বা দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে।
তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে জামুড়িয়ায় একটি ইএসআই ডিসপেন্সারি হবে। যা শ্রমিকদের সহজে এবং সুলভ মূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেবে। সেই কাজ আজ আমরা করতে পেরেছি।
এদিন রাজ্যের মন্ত্রী স্থানীয় বিধায়ক হরেরাম সিং- এর ভুয়োসী প্রশংসা করে জানান স্থানীয় বিধায়ক সহযোগিতা না করলে আমরা এটি করতে পারতাম না এর থেকেই প্রমাণিত হয় যে বিধায়ক হরেরাম সিং সর্বদা শ্রমিকদের সুবিধার্থে এবং সহযোগিতায় এগিয়ে থাকেন।
এ সময় রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক বিধায়ক হরেরাম সিং ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,
ব্লক সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা, শ্রমিক নেতা রাজু মুখার্জী, সুকুমার ভট্টাচার্য, সুব্রত অধিকারী, দীনেশ চক্রবর্তী সহ ডিসপেন্সারের আধিকারিক এবং বহু সাধারণ মানুষ।



