বাঁশকোপা টোলপ্লাজায় এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে
আমার কথা, কাঁকসা, ৩১ জুলাই:
কাঁকসার বাঁশকোপায় টোল প্লাজায় ঢুকে ট্রোল কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। টোল প্লাজার এক কর্মীর অভিযোগ, টোল প্লাজায় কর্মীদের এখন একটা ইউনিয়ন হয়েছে। টোল কর্মীদের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে সেটা তারা ইউনিয়নের মাধ্যমে সমাধান করবে। কিন্তু বাইরে থেকে কোনো নেতা এই বিষয়ে মাথা গলাবে না বলে নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কাঁকসার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য পান্না ঘোষ আজ সকালে দল বল নিয়ে এসে টোল কর্মীদের ওপর চড়াও হয়।
জানা গেছে টোল প্লাজায় টোল কর্মীদের ডিউটি করা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। সেই দন্দ্ব মেটাতে গিয়ে পান্না ঘোষ কয়েকজন টোল কর্মীকে বেশ কিছুদিন আগে হুমকি দেয়। মারধরেরও ঘটনা ঘটেছিল। এই বিষয়ে অন্যান্য ট্রোল কর্মীরা তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানালে, বৃহস্পতিবার সকালে পান্না ঘোষ ফের টোল প্লাজায় এসে তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বকে কেন জানানো হয়েছে সেই নিয়ে বেশ কয়েকজন টোল কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ।
টোল কর্মী কৌশিক সরকারের অভিযোগ, যে কোন দিন তিনি হয়তো খুন হয়ে যেতে হতে পারে। কারণ টোল কর্মীদের বিষয়ে পান্না ঘোষকে নাক না গলানোর জন্য বলায় তাকে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে তৃণমূল নেতা পান্না ঘোষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি যদি মারধর করি তাহলে সেটা সিসিটিভি ক্যামেরাতে ধরা পড়েছে নিশ্চয়ই। তাহলে সেই ছবি দেখান উনি। আসলে কৌশিকের বিরুদ্ধে কিছু এমন অভিযোগ আছে যা ওর বিরুদ্ধে যাবে। আমি সেই সমস্ত অভিযোগের তথ্য প্রমান দলের উচ্চ নেতৃত্বকে দেবো”।
অন্যদিকে তৃণমূল কর্মী মলয় কুমার মন্ডল এর অভিযোগ, টোল প্লাজার মধ্যে তৃণমূলেরই একটি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে যারা নিজেদের মতো করে টোল প্লাজাটিকে চালানোর চেষ্টা করতে চাইছে। সেই নিয়েই দ্বন্দ্ব। এর আগেও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল, তারপর তা মিটেও যায়। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান হলেও ফের নতুন করে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কাঁকসা থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতির সামাল দেয়। টোল প্লাজার দুই গোষ্ঠীকে নিয়ে টোল প্লাজার আধিকারিকের সাথে শুরু হয়েছে বৈঠক।




