অ্যাডমিট কার্ড ভুলে দুশ্চিন্তা, সিভিক ভলেন্টিয়ারের তৎপরতায় হাসি
আমার কথা, ২ ফেব্রুয়ারী
পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে মাথায় হাত। ব্যাগে নেই অ্যাডমিট কার্ড। খবর পেয়েই পরীক্ষার্থীকে চাপিয়ে নিয়ে গেল সিভিক ভলেন্টিয়ার। বাড়ি থেকে অ্যাডমিট কার্ড এনে দিল সময়ে। সময়ে পরীক্ষায় বসতে পেল মাধ্যমিক পরীক্ষায়। সিভিক ভলেন্টিয়ারের ভৌমিকাকে কুর্নিশ জানান অভিভাবকরা। কাঁকসার কুলডিহা এলাকার বিশ্বজিৎ কর্মকার। তার পরীক্ষা কেন্দ্র মলানদিঘী দুর্গাদাস বিদ্যামন্দির। সোমবার পরীক্ষার প্রথম দিনেই পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে তার মাথায় হাত পড়ে। ব্যাগ খুলে দেখতে পাই সে অ্যাডমিট কার্ড আনতে ভুলে গেছে। সেই খবর কর্মরত মলানদিঘী ফাঁড়ির পুলিশের নজরে আসে। তৎক্ষণাৎ সিভিক ভলেন্টিয়ার বুধন সূত্রধর তার বাইকের পিছনে পরীক্ষার্থীকে ৪ কিলোমিটার দূরে বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে সময়ের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়। তারপরেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী বিশ্বজিৎ কর্মকার। পরীক্ষার্থী বিশ্বজিৎ কর্মকারের কথাই,”স্যার না থাকলে পরীক্ষায় বসতেই হয়তো পেতাম না। স্যারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।” কুলডিহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জিত কুমার বন্দোপাধ্যায় বলেন,”পরীক্ষা কেন্দ্রে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এবং পুলিশের নজরদারি রয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ের একজন পরীক্ষার্থী অ্যাডমিট কার্ড আনতে ভুলে গেছিল। সিভিক ভলেন্টিয়ার এনে সহযোগিতা করেছে। উনাকে কুর্নিশ জানাই।”



